আরজি করে লিফটে আটকে মৃ*ত এক ব্যক্তির
খবর দিনভর, কলকাতা: ফের আরজি করে মর্মান্তিক পরিণতি, লিফটে আটকে গিয়ে মৃ*ত্যু ব্যক্তির! ঘটনায় ভয়াবহ পরিণতি। চার বছরের বাচ্চা সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসা করাতে এসে ট্রমা বিল্ডিং এ লিফটে আটকে গিয়ে অস্বাভাবিক মৃ*ত্যুর ঘটনা। ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ।
ব্যক্তির নাম অরূপ ব্যানার্জি বয়স ৪০ নাগেরবাজারের বাসিন্দা। গতকাল রাত ৮ টার সময় পা ভে*ঙে যাওয়ার কারণে চিকিৎসা করাতে এলে তাকে অ*স্ত্রোপ*চারের জন্য ট্রমা অপারেশন বিল্ডিং এ পাঠানো হয়। এরপর সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিচে নেমে আসে পরিবার সহযোগে। আজ ভোররাতে চারটে পাঁচ মিনিটে পুনরায় অ*স্ত্রোপ*চারের কারণে ওপরে ওঠার সময় ঘটে ভয়াবহ ঘটনা। চার বছরের সন্তান ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পাঁচ তলায় উঠতে গিয়ে লিস্টে আটকে যায় অরূপ বাবু। একই সঙ্গে আটকে যায় তার চার বছরের সন্তান।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই চার বছরের ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে, মূলত মৃ*ত্যু হয় বাবার। প্রথমে ওই শিশু লিফটে আটকে গেলে তাকে কোনরকমে উদ্ধার করলেও অরূপ নিজে আটকে যায় লিফটে। এরপর তাকে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে টানতে টানতে নিয়ে যায় চারতলায়। তারপর ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সহযোগিতায় চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃ*ত বলে ঘোষণা করে। গুরুতরভাবে আহত হয় চার বছরের শিশু পুত্র। মূলত এই ঘটনা লিফটের অব্যবস্থার কারণে ও হাসপাতালের মেনটেনেন্স এর অভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেই অভিযোগ। ঘটনায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আরজি কর হাসপাতালে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় স্থানীয় টালা থানার পুলিশ। তবে এদিনের এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এই ঘটনার পর অরূপ কে উদ্ধার করে চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃ*ত বলে ঘোষণা করে। গুরুতর চার বছরের শিশুটি চিকিৎসাধীন বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। এই মুহূর্তে অরূপের মৃ*তদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে অস্বাভাবিক মৃ*ত্যুর কারণে। পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কিভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটলো এবং এর পেছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল কিনা সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে এই ঘটনায় স্পষ্ট, আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসার গাফিলতির পাশাপাশি হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের চরম অপব্যবস্থার পরিচয় আবারও চাক্ষুষ করলো সাধারণ মানুষ এবং বলির শিকার হলো এক রোগীর পরিবার।

Comments
Post a Comment